বাংলাদেশের সমান বয়স আমার : আমি এখন একজন মধ্যবয়সী প্রযুক্তি উদ্যোক্তা

 প্রকাশ: ২৭ জুলাই ২০২১, ০৭:৪৮ অপরাহ্ন   |   রাজনীতি




জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় মঙ্গলবারই তার জীবনের ৫০ বছর পূর্ণ করলেন। মুক্তিযুদ্ধের মধ্যে ১৯৭১ সালের ২৭ জুলাই ঢাকায় পরমাণু বিজ্ঞানী এম এ ওয়াজেদ মিয়া ও শেখ হাসিনা দম্পতির ঘরে জন্ম নেন জয়। 
জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানোয় সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। মঙ্গলবার নিজের জন্মদিনে এক ফেইসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, “যারা আমাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তাদের সবাইকে ধন্যবাদ। আমার বয়স এখন অর্ধশতক, বাংলাদেশের সমান বয়স। আমাদের আওয়ামী লীগ সরকারের ১২ বছর পর বাংলাদেশ আজ একটি মধ্যম আয়ের, ডিজিটাইজড দেশ। আমি এখন একজন মধ্যবয়সী প্রযুক্তি উদ্যোক্তা!”
বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্ন বাস্তবায়নে দেশে প্রযুক্তি খাতে যে নীরব বিপ্লব ঘটেছে, সজীব ওয়াজেদ জয় তার নেপথ্য কারিগর বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে  শিশুদের মাঝে খাদ্য, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ করে বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের জন্মদিন উদযাপন করেছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।  সারাদেশেই একসঙ্গে এ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে বলে ছাত্রলীগ নেতারা জানিয়েছেন। বিতরণ করা সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে চাল, ডাল, আম, প্যাকেটজাত দুধ, মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার,  খাতা, কলম ও  স্কেল। 

মধুর ক্যান্টিনের অনুষ্ঠানে ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় বলেন, “ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়নে  তার কন্যা দেশরত্ম শেখ হাসিনা ও দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয় যেভাবে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সব সময় সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে পাশে থাকবে। সজীব ওয়াজেদ জয় ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা, তরুণদের আইকন হয়ে বাংলাদেশকে সামনে নিয়ে যাচ্ছেন। আজকে  তার জন্মদিন উপলক্ষে বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।”



জয় সক্রিয় রাজনীতিতে নাম লেখান ২০১০ সালে, নানা-মায়ের দল আওয়ামী লীগের আনুষ্ঠানিক সদস্য হয়ে। ওই বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিতৃভূমি রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্য পদ দেওয়া হয় তাকে। বর্তমানে দলীয় ঘরানা ছাড়াও তথ্যপ্রযুক্তি, রাজনীতি, সামাজিক, অর্থনৈতিক, শিক্ষাবিষয়ক বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশ, তরুণ উদ্যোক্তা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন জয়। ২০০৭ সালে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে তিনি ‘গ্লোবাল লিডার অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ নির্বাচিত হন। 
সজীব ওয়াজেদ পরিচালিত সিআরআইর মাধ্যমে শিশুদের জন্য গ্রাফিক নভেল মুজিব প্রকাশিত হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ থেকে। এ ছাড়াও ‘হাসিনা: এ ডটারস টেল’ ডকুড্রামা বা বঙ্গবন্ধুর উক্তি ও জীবনী নিয়ে আরও বেশ কিছু কাজ করে যাচ্ছে সিআরআই।


বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।রাজনীতিতে অতটা সম্পৃক্ত না হলেও ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনার ক্ষেত্রে জয়ের বড় ধরনের ভূমিকার কথা বলেন আওয়ামী লীগের নেতারা।আওয়ামী লীগের গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই)-এর চেয়ারম্যান সজীব ওয়াজেদ। তার হাত ধরেই সিআরআই আয়োজন করেছে একাধিক লেটস টক, পলিসি ক্যাফের মতো আয়োজন। লেটস টক অনুষ্ঠানে তরুণদের চাওয়া-পাওয়া ও জানা-অজানা অনেক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন তিনি।
তরুণদের নিয়ে সজীব ওয়াজেদের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম হল ইয়াং বাংলা। ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে বর্তমান সময়ে দেশে তারুণ্যের সর্ববৃহৎ প্লাটফর্ম ইয়াং বাংলা। ইয়াং বাংলার মাধ্যমে সর্বপ্রথম বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে ইন্টার্নশিপের সুযোগ লাভ করে দেশের তরুণরা। তরুণদের দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করতে এই ইয়াং বাংলা প্রতিবছর ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উদযাপনে আর্মি স্টেডিয়ামে আয়োজন করছে জয় বাংলা কনসার্ট। 





রাজনীতি এর আরও খবর: