সুরক্ষা অ্যাপে ২৫ বছর বা তার চেয়ে বেশি বয়সের নাগরিকরা টিকার জন্য নিবন্ধন করতে পারছেন

 প্রকাশ: ২৯ জুলাই ২০২১, ০৯:৫৭ অপরাহ্ন   |   জাতীয়



দেশে টিকা নিবন্ধনের শুরুর দিকে ৫৫ বছর বয়সীদের টিকার জন্য নিবন্ধন করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। পরে নিবন্ধন কম হওয়ায় আরও বেশি সংখ্যক মানুষকে টিকার আওতায় আনতে বয়স কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দ্বিতীয় দফায় কমিয়ে ৪০ বছর , তৃতীয় দফায় কমিয়ে ৩৫ বছর ও  চতুর্থ দফায় তা আরও কমিয়ে ৩০ বছর করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) সুরক্ষা অ্যাপে ২৫ বছর বা তার চেয়ে বেশি বয়সের নাগরিকরা টিকার জন্য নিবন্ধন করতে পারছেন। করোনা ভাইরাস নিবন্ধনের সুরক্ষা অ্যাপে নিবন্ধনের পরিচয় যাচাই কলামের শ্রেণি বা ধরনের প্রথমেই দেখা যায়, নাগরিক নিবন্ধন (২৫ বছর বা তদূর্ধ্ব)।


সরকার দ্রুত সময়ের মধ্যে ব্যাপক জনগোষ্ঠীকে টিকার আওতায় আনতে চায়। এজন্য জোরদার করা হচ্ছে টিকাদান কর্মসূচি। 
মহামারি করোনাভাইরাসের প্রকোপ ঠেকাতে ইতিমধ্যে সোয়া এক কোটির বেশি মানুষ টিকা নিয়েছেন। টিকা পাওয়ার প্রক্রিয়াও সহজ করা হচ্ছে। প্রতি মাসে এক কোটি মানুষকে টিকার আওতায় আনার টার্গেট নিয়েছে সরকার।আগামী ৭ আগস্ট থেকে ইউনিয়ন পর্যায়ে শুরু হবে টিকাদান। এ কার্যক্রম চালাতে ইউনিয়ন পরিষদে কেন্দ্র তৈরি করে টিকা দেওয়া হবে। শহরাঞ্চলে মডার্নার আর গ্রামাঞ্চলে দেওয়া হবে সিনোফার্মের টিকা। ৫০ লাখ ৪৮ হাজার ১৭২ পুরুষ এবং ৩২ লাখ ২২ হাজার ২৫০ নারী প্রথম ডোজ টিকা নিয়েছেন । ২৭ লাখ ৫৭ হাজার ২৩৭ পুরুষ  ও  ১৫ লাখ ৬৫ হাজার ৯০নারী   দ্বিতীয় ডোজ টিকা গ্রহন করেছেন। 

 প্রকোপ ঠেকাতে কঠোর বিধিনিষেধ চলমান থাকলেও তাতে থামছে না মৃত্যুর মিছিল। গত এক মাসে মৃত্যু ও শনাক্ত উভয়টি নতুন নতুন রেকর্ড গড়ছে।শনাক্তের সংখ্যা ও হার বেশ উদ্বেগজনক। এই অবস্থায় বেশির ভাগ মানুষকে টিকার আওতায় নিয়ে আসাই সবচেয়ে কার্যকরী উপায় বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।  মাঝে টিকার সংকটে এই কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেলেও এবার  টিকার সংকটে এই কার্যক্রম আর বন্ধ হবে না বলে আশ্বস্ত করেছেন দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা।



গণটিকাদান কার্যক্রমের বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেনআমরা ইউনিয়ন পর্যায়ে ইউনিয়ন পরিষদে টিকাদান কেন্দ্র স্থাপন করছি। যেখান থেকে ইউনিয়নের সব লোকজন, আপামর জনসাধারণ যারা টিকা নিতে চায় বা যাদের নিতে হবে তারা টিকা নিতে পারবেন। 
ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের কাছ থেকে কোভিশিল্ডের তিন কোটি ডোজ টিকা কেনার জন্য গত বছরের শেষ দিকে চুক্তি করেছিল বাংলাদেশ। সেই টিকার প্রথম চালান পাওয়ার পর ৭ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে গণটিকাদান শুরু হয়। 
এরপর চীন থেকে টিকা কেনার প্রক্রিয়াও শুরু হয়। চীনের উপহার হিসেবে পাঠানো এবং কেনা টিকা মিলিয়ে মোট ৫১ লাখ ডোজ সিনোফার্মের টিকা বাংলাদেশ হাতে পেয়েছে। এর মধ্যে ফাইজার-বায়োএনকেটের তৈরি এক লাখ ৬২০ ডোজ টিকা এবং মডার্নার তৈরি ৫৫ লাখ ডোজ ইতিমধ্যে দেশে এসেছে।   এর বাইরে কোভ্যাক্স থেকে ছয কোটি ডোজের বেশি টিকা পাওয়ার কথা রয়েছে বাংলাদেশের। 











আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) দুপুরে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে দলের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপকমিটির উদ্যোগে বিভিন্ন প্রতিনিধিদের মধ্যে করোনা সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে সবাইকে মাস্ক পরার আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, করোনার ভ্যাকসিন নিয়ে কোনো সঙ্কট হবে না। তবে, সবাই মাস্ক পরুন। উপকমিটির নেতাদের একাধিক টিম করে বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় সাধারণ মানুষকে মাস্ক পরিধানে উৎসাহিত করার আহ্বান জানাই।বিএনপি নেতারা জনগণের পাশে দাঁড়ানোর অক্ষমতা ঢাকতেই সরকারের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে।

জাতীয় এর আরও খবর: